Bangladesh National id card Checker


Bangladesh National id card Checker জাতীয় পরিচয়পত্র- voter/NID id card Verify

রেজিঃ করা হয়ে গেলে পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকেই ভেরিফাই করে যে কাইকে দেখাতে পারবেন আপনার পরিচয় 

Bangladesh National id card Checker এর জন্য  ই-মেইল,মোবাইল নং দিন, এনআইডি ঘরে আপনার বার্থ ইয়ার দিয়ে হুবহু আইডি নাম্বার লিখুন, এবার জন্ম তারিখ লিখুন, পাসওয়ার্ডের ঘরে ইংরেজীর বড় একটি অক্ষর, একটি ছোট আর একটি সংখ্যা দিতেই হবে আগে পরে। আপনার পাসওয়ার্ড সারাজীবন সংরক্ষন করবেন এজন্য পাসওয়ার্ড বিভিন্ন জায়গায় লিখে সংরক্ষন করুন । সাবমিটে ক্লিক করার পরপরই আপনার মোবাইলে একটি মেসেজ কোড আসবে। এবার কোডটা বসিয়ে দিন ব্যস হয়ে গেল আপনার এনআইডি ভেরিফাই রেজিষ্ট্রেশন। বাংলাদেশ থেকে একবার রেজিষ্ট্রেশন করা হয়ে গেলে পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকেই ভেরিফাই করে যেকাউকে দেখাতে পারবেন আপনার পরিচয় পত্র। Register Now C

  • *Name
  • *Father Name and  Father NID
  • *Mother Name Mother NID
  • Year of Death (if applicable)
  • Spouse Name      Not Applicable
  • *Date of Birth
  • *Place of Birth (District)
  • *Gender:
  • *Marital Status:
  • *Education:
  • *Profession:Disability (if any):    Blind    Deaf    Mute    Physical    Others
  • Unique Identification Mark
  • Blood Group (if known):
  • *For which address you want to be a voter
  • Present Address
  • Permanent Address
  • Driving License/ Passport No. (if applicable)
  • Telephone No. (if applicable)
  • *Mobile No
  • *Religion:

Trial version software কে বানিয়ে ফেলুন Full version

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি। আবারও হাজির হলাম আপনাদের সামনে নতুন কিছু নিয়ে । এবার আসুন শুরু করি…
আজ আমরা যে সফটওয়্যারটি সম্পর্কে আলোচনা করব তার নাম Time Stopper। আপনি এই সফটওয়্যারটি
ব্যবহার করে যে কোন Trial version software কে  Full version করতে পারবেন ।
এই সফটওয়্যার দিয়ে আপনি নির্দিস্ট একটা সফটওয়্যারের সময়কে বেধে দিতে পারবেন। এর ফলে আপনার ট্রায়াল
পিরিয়ড কখনোই শেষ হবে না। সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে ডাউনলোড
১.সফটওয়্যারটি এই ঠিকানা থেকে নামিয়ে সেটাপ করে চালু করুন।
1

২.তারপর  যে সফটওয়্যারের সময় বেধে দিতে চান সে সফটওয়্যারটি সেটাপ করে চালু করুন।

2

৩.এবার Browse বাটনে ক্লিক করে যে সফটওয়্যারের সময় বেধে দিতে চান তার exe ফাইলটি select করুন।
(যেখানে আপনি সফটওয়্যারটি সেটাপ করেছেন তার exe ফাইলটি select করুন। )

3

৪. তারপর Chose the new date এ ক্লিক করে একটা তারিখ নির্ধারন করে দিন।

আপনার তারিখটা যেন ট্রায়াল সফটওয়্যারটির ট্রায়াল পিরিয়ডের বাইরে না হয়।

সফটওয়্যারটি যেদিন সেটাপ করবেন তার পরবর্তী তারিখ নিবার্চন করুন ।

(যেমন: আমি সফটওয়্যারটি 11/3/2014 তারিখে সেটাপ করেছি কিন্তু তারিখ নির্বাচন করেছি

11/3/2014 )

4

৫.এখন ট্রায়াল সফটওয়্যারটির যেকোন নাম লিখে Create desktop short-cut বাটনে ক্লিক করুন।

ডেস্কটপে একটা শর্টকাট তৈরী হবে। এখন থেকে আপনি এই শর্টকাট ব্যবহার করেই ট্রায়াল সফটওয়্যারটি চালু করবেন।

৬. তারপর Exit বাটনে ক্লিক করুন ।

5
৭. তারপর ট্রায়াল প্রোগ্রামের আসল শর্টকাটটি delete করে দিন ।
এখানে দেখাচ্ছে Trial 19 days left কিন্তু এই সময় আর কমবে না সবসময় এটাই দেখাবে কারন সময়কে বেধেদেওয়া হয়েছে ।
এখন আপনি এই ট্রায়াল ভার্শন সফটওয়্যারকে ক্র্যাক/সিরিয়াল ছাড়াই আজীবন ব্যবহার করতে পারবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে কষ্ট করে পোস্টটি পড়ার জন্য! দেখা হবে আগামি পোস্টএ। আল্লাহ হাফেজ..

আপনার ব্লগের লোডিং স্পীড দিগুন করে নিন

আপনার ব্লগের ভিজিটর বৃদ্ধির করতে লোডিং স্পীড একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে আমাদের মত নতুন ব্লগারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় কারণ আমার যারা নতুন তারা প্রত্যেকে যখন সুন্দর কোন গ্যাজেট দেখে তখনি সেটি নিজের ব্লগে যুক্ত করতে ইচ্ছে করে এবং দেখা যায় ব্লগে নানা ধরনের ভারী সাইজের ফাইল এবং গ্যাজেট যুক্ত করি তখন দেখা যায় আমাদের ব্লগ লোডিং হতে বেশি সময় লাগে। আমি নিজে এটি ব্যবহার করছি আপনিও ব্যবহার করে আপনার ব্লগের স্পীড বৃদ্ধি করে নিতে পারেন। আসুন এবার কাজের কথায় আসি, যা করতে হবে আপনাকে 


Step 1 Log in to your Blogger account and Go to your Blogger Dashboard
 Step 2 Click on  Now click on -> Template -> Edit HTML-> Unfold code  ►
Step 3 Now Find this code </Head> by pressing Ctrl + F
Step 4 </head>অপশনটি খুজে পাইলে এর ঠিক উপরে নিচের কোডটি পেস্ট করুন

<script type='text/javascript'>//<![CDATA[
(function(a){a.fn.lazyload=function(b){var c={threshold:0,failurelimit:0,event:"scroll",effect:"show",container:window};if(b){a.extend(c,b)}var d=this;if("scroll"==c.event){a(c.container).bind("scroll",function(b){var e=0;d.each(function(){if(a.abovethetop(this,c)||a.leftofbegin(this,c)){}else if(!a.belowthefold(this,c)&&!a.rightoffold(this,c)){a(this).trigger("appear")}else{if(e++>c.failurelimit){return false}}});var f=a.grep(d,function(a){return!a.loaded});d=a(f)})}this.each(function(){var b=this;if(undefined==a(b).attr("original")){a(b).attr("original",a(b).attr("src"))}if("scroll"!=c.event||undefined==a(b).attr("src")||c.placeholder==a(b).attr("src")||a.abovethetop(b,c)||a.leftofbegin(b,c)||a.belowthefold(b,c)||a.rightoffold(b,c)){if(c.placeholder){a(b).attr("src",c.placeholder)}else{a(b).removeAttr("src")}b.loaded=false}else{b.loaded=true}a(b).one("appear",function(){if(!this.loaded){a("<img />").bind("load",function(){a(b).hide().attr("src",a(b).attr("original"))[c.effect](c.effectspeed);b.loaded=true}).attr(“src”,a(b).attr(“original”))}});if(“scroll”!=c.event){a(b).bind(c.event,function(c){if(!b.loaded){a(b).trigger(“appear”)}})}});a(c.container).trigger(c.event);return this};a.belowthefold=function(b,c){if(c.container===undefined||c.container===window){var d=a(window).height()+a(window).scrollTop()}else{var d=a(c.container).offset().top+a(c.container).height()}return d<=a(b).offset().top-c.threshold};a.rightoffold=function(b,c){if(c.container===undefined||c.container===window){var d=a(window).width()+a(window).scrollLeft()}else{var d=a(c.container).offset().left+a(c.container).width()}return d<=a(b).offset().left-c.threshold};a.abovethetop=function(b,c){if(c.container===undefined||c.container===window){var d=a(window).scrollTop()}else{var d=a(c.container).offset().top}return d>=a(b).offset().top+c.threshold+a(b).height()};a.leftofbegin=function(b,c){if(c.container===undefined||c.container===window){var d=a(window).scrollLeft()}else{var d=a(c.container).offset().left}return d>=a(b).offset().left+c.threshold+a(b).width()};a.extend(a.expr[":"],{“below-the-fold”:”$.belowthefold(a, {threshold : 0, container: window})”,”above-the-fold”:”!$.belowthefold(a, {threshold : 0, container: window})”,”right-of-fold”:”$.rightoffold(a, {threshold : 0, container: window})”,”left-of-fold”:”!$.rightoffold(a, {threshold : 0, container: window})”})})(jQuery);$(function(){$(“img”).lazyload({placeholder:”http://i22.servimg.com/u/f22/15/42/72/40/grey10.gif”,effect:”fadeIn”,threshold:”-50″})})//]]></script>



নিচের চিত্র দেখুন





এবার টেমপ্লটটি সেইভ করুন> ব্লগটি রিফ্রেশ করে পূনরায় ব্লগটি চালু করে দেখুন। ভাল লাগলে মন্তব্য করতে ভুলবেন না, আর যে কোন সমস্যা হলে কমেন্ট বক্সতো আছেই..
বিশেষ দ্রষ্টব্য : ব্লগের  সার্ভার স্পীড নিয়েও আব্দুল্লাহ ভাইয়ের একটা পোস্ট আছে আপনি সেটাও করতে পারেন। দেখেতে নিচের দেয়া লিঙ্কে যান





ওয়াই ফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করার উপায় ।

আমাদের চারপাশে ওয়াই ফাই ইন্টারনেট সুবিধা ঘুরে বেড়ালেও আমরা সেটি ব্যাবহার করতে পারিনা শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের বেড়া জালের কারনে।
আজকে সেই বাধা দূর করার ওয়াই ফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করার উপায়  জেনে নিন।
আপনি কি কোন দিন সহজে আডমিন পাসওয়ার্ড ছাড়া ওয়াই ফাই আকসেস করেছন ?
নিশ্চয় না।  তাহলে এখুনি পাসওয়ার্ড হ্যাক জেনে নিন নিম্নের মেথড অনুসরন করে।
ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করার জন্য ডাউনলোড করেন এখান থেকে             Minidwep-gtk 
beini Minidwep-gtk  সফটওয়্যার টি সিডি/ ডিভিডি তে রাইট করেন। অথবা পোর্টেবল ইউএসবি  বানান।
পোর্টেবল ইউএসবি বানাতে নিচের সফটওয়্যারে টি ডাউনলোড করেন আপনার উইন্ডোজ হিসেবে।
ডাউনলোড এখানে
For Windows      Download            For Linux            Download




 ইনসার্ট সিডি/ডিভিডি অথবা ইউএসবি । রিস্টার্ট কম্পিউটার এবং বুট করান সিডি/ডিভিডি অথবা ইউএসবি থেকে ।ঠিক উইন্ডোজ করার মত বুট করান।
১।বুট সফল হলে নিচের ছবির মত দেখতে পাবেন।  ক্লিক করেন Minidwep-gtk ।


২। নিচের ছবির মত একটা উইন্ডোজ আসবে  ok  ক্লিক করেন।



 ৩।এখন Minipwep-gtk প্রোগ্রাম টি খুলবে । ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক খুজার জন্য ক্লিক  scan । নিচের ছবির মত।



 ৪। সিলেক্ট ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক যেটা সাথে client আছে। । ক্লিক launch তাহলেই শুরু করবে ক্র্যাক প্রকসেস। নিচের ছবির মত।




 ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক  হ্যাক করতে চান তার  ডাটা প্রদান ব্যবহার অবস্তায় থাকতে হবে। তাহলে তারাতারি  ক্র্যাক প্রকসেস হবে ।যদি IVS value চালু না থাকে বা আস্তে আস্তে কাজ করে তার মানে router ডাটা প্রদান করে না।তাহলে অন্য সময় চেষ্টা করতে হবে যখন router ব্যবহার হয়। যে পাসওয়ার্ড টি শক্তিশালী তা   নাও হতে পারে।নিচের ছবিটি দেখুন ।





 ৫।পাসওয়ার্ড টি খুজে পেতে সফল হলে নিচের ছবির মত দেখাবে।


  
WPA/WPA2 জন্য :    নিচের ছবির মত সেটিং করেন।




 So It is Final that can be found Password.( পাসওয়ার্ড হ্যাক করে কারো ক্ষতি করবেন না  )




Fake Error Message তৈরি করুন সহজেই

নোটপ্যাড নিয়ে আরও দুইটি ট্রিকস নিয়ে হাজির হলাম। দুটোর কাজই সহজ, কেবল নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

নোটপ্যাড দিয়ে যেভাবে পার্সোনাল ডায়েরি তৈরি করবেনঃ

  • প্রথমে Start/All Programs/Accessories থেকে Notpad Open করুন।
  • তারপর টাইপ করুনঃ .LOG
  • তারপর এটা Save করে নিন যে কোন জায়গায়। তারপর পুনরায় এটি Open করলে দেখবেন সময়-তারিখ Show করছে। অর্থাৎ আপনি যখন কিছু লিখতে যাবেন তখন এটি যখন লিখছেন তখনকার সময়-তারিখ Save করে রাখবে।

 

এবার Fake Error Message যেভাবে তৈরি তৈরি করবেনঃ

  • প্রথমে নোটপ্যাডটা Open করুন।
  • তারপর টাইপ করুন msg * Error: Your system is affected by virus !!!
এখানে আপনি " Your system is affected by virus !!! " এর জায়গায় অন্য লেখা লিখতে পারেন। এটাই Error Message হিসেবে Show করবে।
  • তারপর File এ ক্লিক করে Save as... এ ক্লিক করুন। তারপর File name দিন virus.bat

 

  • এবার Save করে নিন।
  • তারপর  .bat ফাইলটা Open করুন। দেখবেন এরকম Message আসবে। হা হা হা। কি মজা পাইলেন নাকি !

 টা কোন ক্ষতিই করবে না। এটা আপনি মজা করার জন্য আপনার বন্ধুদের সাথে করতে পারেন।


একবার ডাবল ক্লিক করে পুরো কিম্পিউটার Refresh করুন।

একবার ডাবল ক্লিক করে পুরো কিম্পিউটার Refresh করুন।
প্রখমে নোটপ্যাড চালু করুন। এরপর এই কোড গুলি কপি করে আপনার নোটপ্যাডে পেস্ট করুন এরপর Refresh.bat নামে সেভ করুন।
আমার 5টি ড্রাইভ তাই আমি 5টি ড্রাইভ দিয়েছি আপনাদের যদি 3টি হয় তাহলে আপনারাও 3টি ড্রাইভ দিবেন।




Echo Off
cd/
tree
C:
tree
D:
tree
E:
tree
F:
tree
G:
tree

Computer এর Drive Hide করুন Command Prompt এর সাহায্যে ।


আসসালামু আলাইকুম। আসা করি সবাই ভাল আছেন ? Techtunes এ এটি আমার প্রথম টিউন। যারা জানেননা এই পোস্টটি শুধু তাদের জন্য ।
আসুন কজের কথায় আসি .........

  • Step 1. প্রথমে Command Prompt open করুন go to Start Menu > All Programs >Accessories > Command prompt

  • Step 2. Command promot open করে type করুন Diskpart এবং enter চাপুন । যদি UAC (User Account Control), dialog-box prompts হয় তবে Yes ক্লিক করুন ।
  • Step 3. এবার type করুন List Volume এবং enter press করুন । এবার আপনার Drive এর list দেখাবে ।




Step 4. আপনি যেই Drive টা Hide করতে চান সেটা select করুন । এটা দুই ভাবে select করা যাই যেমনঃ এভাবে type করে Select Volume 1 অথবা এভাবে type করে Select Volume C
undefined



undefined
Step 6. আপনার কাজ শেষ । Drive Hide হইয়ে গেছে ।
undefined

যেভাবে আবার Hide করা Drive unhide করবে......।

Step 1. Drive Hide টিপস এর 1 থেকে 4 নম্বর step পর্যন্ত একই রকম ভাবে করুন ।
Step 2. এবার hidden drive show করতে type করুন Assign Letter C এবং enter press করুন ।
undefined
undefined
সবাই ভাল থাকবেন । আমার পোস্ট ভাল লাগলে কমেন্টে জানাবেন ।




জাভাস্ক্রিপ্ট কোড ব্যাবহার করে ড্রপডাউন লিঙ্ক তালিকা বানানো

আসুন জেনে নিই কীভাবে জাভাস্ক্রিপ্ট কোড ব্যাবহার করে ড্রপডাউন লিঙ্ক তালিকা বানানো যায় খুবই সহজ নিচের কোড ব্যাবহার করুন সম্পাদনা করুন যতগুলো লিঙ্ক দেখাতে চান ততগুলো যোগ করতে পারেন। # চিহ্নিত স্থানে ঠিকানা দিতে হবে। পরের অংশে প্রদর্শনীয় টেক্সট শুভকামনা

<script language=”javascript” type=”text/javascript” >
function jumpto(x){
if (document.form1.jumpmenu.value != “null”) {
document.location.href = x
}
}
</script>
<form name=”form1″>
<select name=”jumpmenu” onChange=”jumpto(document.form1.jumpmenu.options[docume
nt.form1.jumpmenu.options.selectedIndex].value)”>
<option>বাছাই করুন</option>
<option value=#>লিঙ্ক-১</option>
<option value=#>লিঙ্ক-২</option>
<option value=#>লিঙ্ক-৩</option>
<option value=#>লিঙ্ক-৪</option>
<option value=#>লিঙ্ক-৫</option>
<option value=#>লিঙ্ক-৬</option>
</select>
</form>


আপনার ওয়েবসাইটিকে সার্চ ইঞ্জিনে প্রথম অবস্থানে দেখতে চান ?

  • SEO
এর পূর্ণনাম হল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। ওয়েবমাস্টারদের জন্য এটা একটি গুরুত্মপূর্ণ নাম। সবাই চায় তাদের ওয়েবসাইট যেন সার্চ ইঞ্জিনে প্রথম অবস্থানে দেখায়। যেমন- কেও যদি তার সাইটে বিভিন্ন তথ্যের সাথে বিজ্ঞাপন দেয় এবংভিজিটর ঐ তথ্যটি পাওয়ার জন্য সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে ঐ সাইটে প্রবেশ করে তাহলে যেমন ভিজিটর বাড়বে তেমনি বিজ্ঞাপনে ব্যাকলিঙ্ক করার জন্যও সাইটের মালিক নির্দিষ্ট অংকের অর্থ পাবে। এখন কথা হল সার্চ ইঞ্জিনে যদি ঐ ওয়েবসাইটের অবস্থান প্রথম সারিতে থাকে তাহলে ভিজিটর আগ্রহী হবে সাইটে প্রবেশের জন্য। আর তাই ওয়েবমাস্টাররা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করে থাকেন সার্চ ইঞ্জিনের পেজরেঙ্কে প্রথমে থাকার জন্য। ব্যাকলিংক , ডোমেইন নেম, মেটাট্যাগ, কী-ওয়ার্ড, কনটেন্ট বিভিন্ন কিছুর সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট পেজ রেঙ্কে উপরের অবস্থানে থাকতে পারে।

  • Search Engine

সার্চ ইঞ্জিন হল এমন একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে আমরা সহজে আমরা যে কোনো সাইটে প্রবেশ করতে পারি এবং ইন্টারনেটে থাকা যে কোন তথ্য খুঁজে পেতে পারি। Google, Excite , lycos, Alta vista , Infoseek এবং Yahoo হল সার্চ ইঞ্জিনের উদাহরণ। এটা মিলিয়ন সংখ্যক ওয়েব এর সাইট ইনডেক্স করে , যাতে করে ওয়েব ব্যবহারকারীরা সহজে যে কোন ওয়েব সাইট খুজেঁ বের করতে পারে এবং যে কোন তথ্য জানতে পারে । ওয়েব ডিজাইনরা তাদের ওয়েবসাইটগুলো সার্চ ইঞ্জিনে প্রথম পেজ রেঙ্কে দেখানোর জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করে যাতে ব্যবহারকারীরা কাক্ষিত তথ্য খুঁজে পেতে পারে। AND, OR , NOT এর সার্চকে নির্দিষ্ট করতে এটি একটি ভাল পন্থা হিসেবে কাজ করে। এই বুলিয়ান অপারেটরগুলো ব্যবহার করে আপনি সম্পৃক্ত যে কোনো সাইটের লিষ্ট পেতে পারেন। সার্চ ইঞ্জিনগুলো ভিজিটরকে কাক্ষিত তথ্য দেয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে এলগরিদম করে থাকে। সেই অনুসারে সার্চ ইঞ্জিন তার ফলাফল প্রদর্শন করে।
  • SERP 
এর পূর্ণনাম হল সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ(Search Engine Results Page). আপনি সার্চ ইঞ্জিনে কোন কীওয়ার্ড সার্চ করার পর যে পেজটি পাবেন তা হল সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ। এতে সার্চ করা কীওয়ার্ড সম্পর্কিত ওয়েবসাইটের শিরোনাম, দুই থেকে তিন লাইনের বর্ণনা এবং ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দেয়া থাকে। বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের এই পেজটি বিভিন্ন রকম হতে পারে। কিন্তু লে-আউট ঠিক একই রকম। এতে “এডভান্স সার্চ” নামের অপশন থাকতে পারে। এটি ব্যবহার করে ভিজিটর আরো কাক্ষিত তথ্য পেতে পারে।
তাহলে আজাকের মতো এই পর্যন্ত আবারও দেখা হবে নতুন কিছু নিয়ে ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন । আল্লাহ্‌ হাফেজ ।সবাইকে ধন্যবাদ ভাল থাকবেন, প্রযুক্তির সাথেই থাকবেন ফেসবুকে আমি 



Sim Card Cloning করবেন যে ভাবে

সবাইকে স্বাগতম! কেমন আছেন? আজ আপনাদের জন্য অত্যন্ত দারুণ একটি বিষয়ের উপর টিউটোরিয়াল দিতে যাচ্ছি। বিষয়টি হল Sim Card Cloning.আগে এ সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক!

  • Sim Card Cloning কি?
Sim Card Cloning এর সোজা অর্থ হল একটি সিম কার্ডের অনুরূপ আরেকটি সিম কার্ড তৈরী করা। এর মানে হল একই নম্বরের দুইটি সিম কার্ড হবে। ওই নম্বরে কোন কল বা তথ্য আসলে তা একই সাথে দুইটি সিমেই আসবে!

হলিউডের অনেক অ্যাকশন মুভিতেই এইধরণের ব্যাপার দেখা যায়। যেমন The Bourne Supermacy মুভিতেও সিম কার্ড ক্লোনের ব্যাপারটা দেখানো হয়েছে। তবে সিম কার্ড ক্লোন করতে হলে অনেক ধরণের সফিসটিকেটেড যন্ত্রপাতি দরকার হয়। আজ আমরা দেখবো কিভাবে সফটওয়্যার ও সহজলভ্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সিম কার্ড ক্লোন করতে হয়।

  • সতর্কতা
এই টিউটোরিয়াল কেবলমাত্র শেখানোর উদ্দেশ্যে প্রদত্ত! দয়া করে কেউ এটিকে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবেন না! যদি এর মাধ্যমে কারো কোন ক্ষতি হয় তাহলে সে জন্য লেখক দায়ী নয়

এই টিউটোরিয়ালটি অধিকাংশ সিম কার্ড ক্লোনিং এর ক্ষেত্রে কাজ করবে। কারণ আমাদের ব্যবহার্য শতকরা ৭৫ ভাগ সিমই COMP128V1  এলগরিদমে প্রোগ্রাম করা হয়েছে। আগেই বলেছি সিম কার্ড ক্লোনিং এর জন্য সফিসটিকেটেড যন্ত্রপাতির দরকার হয়, কিন্তু সেই তুলনায় এগুলো খুবই দূর্লভ! আর ইলেকট্রনিক্স এর শপ গুলোতেও এধরণের যন্ত্র পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে আমরা যন্ত্রের প্রক্সি হিসেবে কিছু সফটওয়্যার ব্যবহার করব।

  • সিম কার্ড ক্লোন করার জন্য আমাদের কি কি লাগবে
  1. একটি Plain Wafer Card
  2. একটি ভাল মানের Sim card reader
  3. সিমের Ki, IMSI & ICCID নম্বর extract করার জন্য একটি সফটওয়্যার
  4. Wafer Card Program read করার জন্য Wafer Card Programmer
  5. Wafer Card Program করার জন্য একটি সফটওয়্যার
যেহেতু আগে বলেছি ইলেকট্রনিক্স শপে এসব যন্ত্র পাওয়া যায় না, এবং অনেকে জানেই না এইসব যন্ত্রপাতি আসলে কি জিনিস! সুতরাং যন্ত্রের পরিবর্তে আমরা সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারব। এই সফটওয়্যার খোঁজার জন্য আমরা গুগল সহ সার্চ ইঞ্জিন গুলো ব্যবহার করব। তবে হ্যাঁ! Sim card reader মোবাইল দোকানগুলোতেই কিনতে পাওয়া যায়!

  • Plain Wafer Card ব্যবহার করে Program Override করা
যেসব সিম কার্ড আমরা অপারেটর থেকে পাই সেগুলো সাধারণ নিয়মে প্রোগ্রাম ব্রেক বা ওভাররাইড করা যায় না। এই জন্য আমরা যে জিনিস ব্যবহার করব তাকে বলে Plain Wafer Card। এটিই আমাদের ক্লোনড সিম হিসেবে আমরা ব্যবহার করব। GSM Sim Cloning এর জন্য তিন ধরণের Plain Wafer Card ব্যবহার করা হয়। এগুলো হল – Gold, Silver & Green Wafer card
 
এর মধ্যে সিলভার বেশী সহজলভ্য। তবে এটি কিনতে হয়! :( আমি নেটে অনেক খুঁজেও ফ্রী Silver Wafer card পাই নি। আপনি চাইলে এই সাইট থেকে Silver Wafer card ডাউনলোড করুন । যদি এখানে না পান, তাহলে ইয়াহু অথবা গুগলে “Silver Wafer card” অথবা “Sim Card Programmer”লিখে সার্চ দিলে পেয়ে যাবেন। একটি Silver Wafer card এ দুইটি ছোট ইলেকট্রনিক চিপ থাকে। এগুলো হল PIC 16F876 এবং EEPROM 24C64।
 
এখন কথা হল, যদি আপনি একটি Silver Wafer card কিনতেই না পারেন তাহলে কি করবেন? যদিও এটি ছাড়া সিম কার্ড ক্লোনিং মোটামুটি অসম্ভব, তবে আপনি চাইলে এই দুটি চিপ বাইরে থেকে কিনে উপরের ছবির মত সার্কিট তৈরী করে নিজের মত Silver Wafer card বানাতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে একজন দক্ষ ইলেকট্রনিক্স টেকনিশিয়ানের সাহায্য নিতে হবে। আর এটিতে ঝুঁকিও আছে। কারণ হাতে বানানো সার্কিট ঠিকমত কাজ করবে কি না, তা আমার জানা নেই! আর একটা সমস্যা হল রেডিমেড Silver Wafer card সকল ধরণের হ্যান্ডসেটের ভেতর সেট করা যায়, কিন্তু হাতে বানানো সার্কিট ফোনে সেট করা যাবে না, বাইরে থেকে সংযোগ দিতে হবে।


Sim Card Reader :

এখন আমাদের একটি ভালো মানের সিম কার্ড রিডার লাগবে। বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স দোকানে এটি কিনতে পাওয়া যায়। SONY বা Panasonic কোম্পানির সিম কার্ড রিডার হলে সবচাইতে ভালো হয়। আর আপনি যদি নিজ হাতে সিম কার্ড রিডার বানাতে চান তাহলে নিচের সার্কিট ফলো করতে পারেন -

সিম কার্ড রিডার আসলে একটি স্ক্যানিং সফটওয়্যার এর আউটপুট হিসেবে কাজ করে। এর মাধ্যমে সিম কার্ডের স্ট্যাটাস জানা সম্ভব হয়। এই যন্ত্রে আপনি আপনার স্ক্যানিং স্পীড ইচ্ছে মত সেট করতে পারবেন। সাধারণত ডিফল্ট স্ক্যানিং স্পীড হয় 3.57Mhz, আপনি চাইলে এই স্পীডকে 6.12MHz বা 7.14Mhz এ পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। এতে স্ক্যানিং এর গতি বাড়বে। তবে মনে রাখবেন, কোন সিমই 10Mhz এর বেশী স্পীড সাপোর্ট করবে না।
বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন ধরণের ও বিভিন্ন ডিজাইনের কার্ড রিডার আছে। কিছু কিছু কোম্পানি USB টাইপের কার্ড রিডার সাপ্লাই করে। চাইলে সেগুলো ও আপনি ব্যবহার করতে পারেন। তবে আপনার হ্যান্ডসেট এর উপযুক্ত কার্ড রিডার ব্যবহার করাই উত্তম!

Ki, IMSI & ICCID কী extract :

আমাদের সিম কার্ডে কিছু সিক্রেট কী রয়েছে যেগুলো একমাত্র সিম অপারেটরের কাছেই সংরক্ষিত। কিন্তু সিম কার্ড ক্লোনিং এর জন্য আমাদের সেই কী গুলো জানতে হবে। এসব কী কে Ki, IMSI ও ICCID কী বলে অভিহিত করা হয়। আগেই বলেছি, সাধারণ প্রোগ্রামিং দিয়ে সিম কার্ড এর প্রোগ্রাম ব্রেক বা ওভাররাইড করা সম্ভব নয়। তাই এই কী গুলো Extract করার জন্য আমরা একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করব।
এই সাইট থেকে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন। এখানে কয়েকটি সফটওয়্যার আছে, আমি এখান থেকে Woron Scan 1.09 সফটওয়্যার টি ব্যবহারের পরামর্শ দেব। কারণ এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনি সিম কার্ডের কন্ট্যাক্ট ডিটেইলস এডিট করতে পারবেন, এমনকি সিমে থাকা মেসেজ ও পড়তে পারবেন। তবে কিছু কিছু সিমে সফটওয়্যার কাজ না ও করতে পারে। এইজন্য সফটওয়্যার ওপেন করে যেসব সিম কাজ করে না সেগুলো রিমুভ করে সাথে সাথে সফটওয়্যারের মেনুবারে থাকা Connect বাটনে ক্লিক করুন, আবার সিম টি ঢুকিয়ে ওপেন করুন। এবার সিমটি আপনার সফটওয়্যারের প্রোগ্রামে কাজ করবে।

এখন আপনার কী Extract করার জন্য সিমকার্ড হ্যান্ডসেটে ওপেন করে, সফটওয়্যার দিয়ে কানেক্ট করুন। তারপর স্ক্যান করতে দিন। এটি আপনার সিমের স্ট্যাটাস এর পাশাপাশি সিক্রেট কী গুলো Extract ওপেন করবে। স্ক্যানিং এর সময় সিমকার্ডে থাকা প্রোগ্রাম, সিমকার্ডের ব্যবহার ও প্রোগ্রামের উপর নির্ভর করে। স্ক্যানিং করতে কোন কোন সিমে মাত্র ৩০ মিনিট সময় নেয় আবার কোন কোন সিমে ৩৬ ঘন্টা ও লাগতে পারে।
Woron Scan 1.09 সফটওয়্যার টি আমার দেয়া সাইটে থাকার কথা, যদি না থাকে গুগলে সার্চ দিয়ে ডাউনলোড করতে পারবেন। এটি সবচাইতে ভালো কাজ করে। স্ক্যানিং এর জন্য এই সফটওয়্যারটি সর্বনিম্ন ২৫ মিনিট থেকে সর্বোচ্চ ৬ ঘন্টা সময় নেয়। এটির বড় সুবিধা হল এটি আপনার সিমের প্রোগ্রাম এলগরিদম স্ট্যাটাস শো করে। যেহেতু আগে থেকে আমরা আমাদের সিমের এলগরিদম জানি না, সুতরাং COMP128V1 ব্যতিত অন্য এলগরিদমের সিম হলে আমাদের ক্লোনিং হবে না, ফলে আমাদের সময় নষ্ট হবে। কিন্তু এই সফটওয়্যার ব্যবহার করলে আমাদের বাড়তি সময় নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচবে।

Wafer Card Programmer (EEPROM Programmer + PIC Programmer) :

এবার আমাদের যে জিনিসটি লাগবে সেটি হল একটি প্রোগ্রামার। Silver Wafer Card এর প্রোগ্রাম রিড করার জন্য এবং নতুন প্রোগ্রাম ওভাররাইড করার জন্য এটির প্রয়োজন হবে। এই প্রোগ্রামারে দুইটি ভিন্ন প্রোগ্রামার সাইড রয়েছে। একটি PIC programmer এবং একটি EEPROM programmer। দুইটি প্রোগ্রাম থাকার কারণ হল আমাদের Silver Wafer Card এ দুইটি চিপ রয়েছে এবং চিপ দুইটি হল PIC 16F876 এবং EEPROM 24C64; এক্ষেত্রে EEPROM চিপটি থেকে সিগন্যাল PIC 16F876 তে ট্রান্সফার হয়।

আমাদের প্রোগ্রাম ওভাররাইড এর জন্য আমরা যে সফটওয়্যার টি ব্যবহার করব তার নাম Millenium 2000VX MAX, এটি সম্পূর্ণ কার্যকরী এবং যে কোন Wafer Card এর সাথে কাজ করতে সক্ষম।
এই সাইট থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। যদি এখানে না থাকে তাহলে গুগলে সার্চ দিলে পেয়ে যাবেন। অনেকে হয়ত চাইবেন নিজের প্রোগ্রামার বানাতে। তবে আমি এক্ষেত্রে আপনাকে সমর্থন করব না। কারণ এইধরণের প্রোগ্রামার বানাতে খুবই দক্ষ টেকনিশিয়ান প্রয়োজন। তারপরও যদি কেউ চেষ্টা করতে চান, তার জন্য আমি নিচে সার্কিট ডায়াগ্রাম দিয়ে দিলাম এটি কাজ করবে কি না তা আমি নিশ্চয়তা দিতে পারছি না। এখানে তিনটি ধরণের প্রোগ্রামার সার্কিট রয়েছে।
1. এটি হল JDM2 programmer যা PIC programming ওভাররাইড করতে পারে -

2. এটি হল EEPROM programmer যেটি Silver Wafer Card এর মাধ্যমে সিমকার্ডের EEPROM program ওভাররাইড করতে পারে -


3. এটি সাধারণত ব্যাকআপ প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করে। উপরের দুই ধরণের প্রোগ্রামারের সাথেই এটি ওভাররাইড ডাটা সংরক্ষণ করতে পারে -


ক্লোনকৃত সিমের প্রোগ্রামিং করার জন্য সফটওয়্যার :

সিমকার্ড ক্লোন করার জন্য আমাদের শেষ যে জিনিসটি লাগবে সেটি হল একটি Wafer Card Programming Software. এই ধরণের অনেক সফটওয়্যার আছে, তবে আমি এর মধ্য থেকে SimEmu 6.01 সফটওয়্যারটি ব্যবহারের পরামর্শ দেব।
এই সাইট থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। যদি না থাকে তাহলে গুগল সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন।

এই সফটওয়্যার দিয়ে আমরা সাধারণ Wafer Card কে ক্লোনড সিম হিসেবে ব্যবহার করতে পারব। তবে এইজন্য আমাদের আগে ঠিক করতে হবে যে আমরা Wafer Card এ কি কি প্রোগ্রাম ইনপুট করব। যাই হোক, আমাদের সিম ক্লোনের জন্য দুইটি প্রোগ্রাম ফাইল লাগবে। একটি PIC চিপের জন্য এবং অন্যটি EEPROM চিপের জন্য। আমরা আমাদের Wafer Card দিয়ে একটি সিমের একাধিক ক্লোন বানাতে পারব। তবে সেটা আপনার একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। তবে আমি সম্পূর্ণ Wafer Card ব্যবহার করার পরামর্শ দেব। এরপর আমাদের সফটওয়্যার দিয়ে আমরা আমাদের PIC ও EEPROM চিপের জন্য .hexফরম্যাটের প্রোগ্রাম ফাইল তৈরী করব।
তবে একটা কথা, Wafer Card এ প্রোগ্রাম ইনপুট করার সময় আমাদের অন্য একটি সফটওয়্যার প্রয়োজন হতে পারে, যেহেতু আমরা প্রোগ্রামার হিসেবে Millenium 2000VX ব্যবহার করছি, সুতরাং এর সাথে আমরা CardMaster সফটওয়্যারটি ব্যবহার করব। গুগল সার্চ দিয়ে এটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

এবার আমাদের কাজ শুরু হবে!

Step 1 :
প্রথমে আপনার সিমটি সিম কার্ড রিডারে প্রবেশ করান। তারপর Woron scan 1.09 সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে সিমের Ki, IMSI এবং ICCIDকী Extract করুন।

Step 2 :
এবার SimEmu 6.01 সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে আমরা আমাদের PIC ও EEPROM চিপের জন্য .hex ফরম্যাটের প্রোগ্রাম ফাইল তৈরী করব। এর জন্য সফটওয়্যার ওপেন করে উপরের দিকের বক্সে নিচের চিত্রের মত ADN, FDN এবং SMS বক্সের নাম্বার সেট করব। যেহেতু আমরা Silver Wafer cardব্যবহার করছি সুতরাং নিচের ফর্মুলা টি মনে রাখলে কাজ করা সহজ হবে।
16448 = (ADN – 51 ) x 32 + SMS x 176 + FDN x 32 must be less than 6480
যদিও বীজগণিতের ঝামেলা, কিন্তু কাজ করতে সুবিধা হবে! :P যাই হোক, এবার আমরা Generate Hex file এ ক্লিক করে আমাদের PIC ও EEPROMচিপের জন্য .hex ফরম্যাটের প্রোগ্রাম ফাইল তৈরী করব।

Step 3 :
Silver Wafer card এর প্রোগ্রাম ওভাররাইড করার জন্য আমরা আমাদের প্রোগ্রাম আমরা পেয়ে গেছি। এখন আমাদের কাজ একটি প্রোগ্রামার সফটওয়্যার দ্বারা এই প্রোগ্রাম ওভাররাইড করা। এইজন্য আমরা ব্যবহার করছি Millenium 2000VX Max এবং সাথে বাড়তি সংযুক্তি হিসেবে আমরা Cardmaster 2.1সফটওয়্যারটি ব্যবহার করব। প্রথমে প্রোগ্রামারটি কানেক্ট করে সফটওয়্যারটি ওপেন করুন। তারপর যে টাইপের Wafer card ব্যবহার করছেন সেটা সিলেক্ট করুন। সেটআপ অপশন থেকে পোর্ট সিলেক্ট করুন। দেখবেন লাল রঙের একটি ডায়ালগ বক্সে “নো সিমকার্ড” শো করবে। এবার যেই সিমকার্ড ক্লোন করবেন সেটি প্রবেশ করান এবং সাবধানে আমাদের উৎপন্ন করা প্রোগ্রাম ফাইলগুলো লোড করুন। কোন সেটিংস পরিবর্তন করার দরকার নেই।
Step 4 :
আমাদের কাজ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। কীবোর্ড থেকে F3 প্রেস করুন করুন অথবা মেনুবার থেকে Edit > Auto Program কমান্ড দিন। এবার আপনি ডায়ালগ বক্সে নিচের লেখা গুলো একের পর এক দেখতে পাবেন -

“Programming the pic.. programming the EEPROM… programming the pic…. verifying….”
এইগুলোর শেষে যদি সব ঠিক থাকে তাহলে আপনি একটি মেসেজ পাবেন। সেখানে লেখা থাকবে যে আপনার প্রোগ্রামিং ওভাররাইড সফল হয়েছে। এখন আপনাদের প্রশ্ন আসতে পারে যে প্রথমে PIC চিপ একবার একবার ওভাররাইড করার পরও EEPROM চিপ ওভাররাইড করার পর আবার কেন PIC ওভাররাইড করা হল? এর কারণ হচ্ছে প্রথমে PIC তে ওভাররাইড করা প্রোগ্রাম এর মধ্য দিয়ে সোজা EEPROM চিপে ট্রান্সফার হয়। যার ফলে PIC এর প্রোগ্রাম অপরিবর্তনীয় থেকে যায়। যদি আবার ওভাররাইড না করা হত তাহলে PIC চিপের ফাইল চেঞ্জ হত না এবং সিম ক্লোনিং হত না। এজন্যই দ্বিতীয়বার PIC চিপের প্রোগ্রাম ওভাররাইড করা হয়।

Step 5 :
সিম ক্লোনিং শেষ। এবার আমাদের কাজ হল ক্লোনড সিমকে অ্যাক্টিভেট করা। এইজন্য প্রোগ্রামার থেকে Silver Wafer Card টি ডিসকানেক্ট করুন। এরপর আপনার নরমাল সিমের সাইজে এটিকে কেটে নিন এবং আপনার হ্যান্ডসেটে প্রবেশ করান। ফোনের সুইচ অন করলে সিমটি পিন কোড চাইবে। যে কোন চার ডিজিটের পিন কোড প্রবেশ করান। এটি আপনার ফার্স্ট পজিশন “O” এর জন্য পিন কোড। আপনার ফার্স্ট পজিশনের জন্য এটি PUK কোড ও চাইবে। তবে ফোন অন করার পর আপনার ফোনে No network অথবা Sim card registration error এইসব মেসেজ দেখাবে। এটি স্বাভাবিক, এতে ঘাবড়াবার কিছু নেই। কারণ সিমে এখনও কোন অপারেটর ইনফরমেশন ইনপুট করা হয় নি।
এখন আপনার ফোনের মেনু থেকে Sim Tool Kit টি খুঁজে বের করুন।  সেখানে সিমের নাম সম্ভবত Sim-Emu 6.01 সেভ করা থাকবে। এটি ওপেন করলে দেখবেন Configure মেনু রয়েছে। সেখান থেকে Phone and Information অপশনটি সিলেক্ট করুন। সেখানে ঢুকলে আবার Configure মেনু দেখতে পাবেন। সেখানে ঢুকলে আপনার কাছে পজিশন চাইবে। আপনি আপনার ইচ্ছামত 0-9 এবং A-F এর মধ্যে যে কোন পজিশন সিলেক্ট করুন। পজিশন সিলেক্ট করার পর আপনার কাছে PIN এবং PUK  কোড চাইবে। প্রতিটি পজিশনের জন্য আলাদা PIN এবং PUK কোড দিন। এটি সিমটিকে দ্রুত সচল হতে সাহায্য করবে। এবার আপনার কাছে সিমের KI, IMSI এবং ICCID নাম্বার চাওয়া হবে। মনে করে দেখুন প্রথমে সফটওয়্যারের সাহায্যে আমরা এই সিক্রেট নাম্বার গুলো Extract করেছিলাম। সেগুলো নির্ধারিত বক্সে প্রবেশ করান। তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। দেখবেন নেটওয়ার্ক বার এবং অপারেটর নাম চলে এসেছে!

ব্যস! আপনার ক্লোনড সিম ব্যবহারের জন্য তৈরী

তাহলে আজাকের মতো এই পর্যন্ত আবারও দেখা হবে নতুন কিছু নিয়ে ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন । আল্লাহ্‌ হাফেজ ।সবাইকে ধন্যবাদ ভাল থাকবেন, প্রযুক্তির সাথেই থাকবেন ফেসবুকে আমি




http://desitechtunes.blogspot.com/



আপনার wordpress এর যে কোন ওয়েব সাইট বা ব্লগে Favicon যোগ করুন

আসসালামু আলাইকুম
কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভাল আসেন। আজ আমি বলবো কিভাবে আপনার wordpress ওয়েব সাইট বা ব্লগে Favicon যোগ করবেন।
1. প্রথমে আপনি যে ইমেজটি Favicon আকারে দেখতে চান তা এখান থেকে 16X16,  32X32, 48X48 বা 64X64 আকারে রূপান্তর করুন। তারপর Download Your Favicon Here থেকে save করুন।

2. এবার আপনার Favicon টি আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগের Media তে upload করুন।

3. তারপর Edit এ ক্লিক করে Favicon এর লিংকটি কপি করুন।

4. এবার নিম্নের কোডের yourimagepathgoeshere এর স্থলে Favicon এর লিংকটি পেষ্ট করুন।
function my_favicon() { ?> <link rel="shortcut icon" href="yourimagepathgoeshere" > <?php } add_action('wp_head', 'my_favicon');

5. এবার Favicon এর লিংকসহ কোডটি আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগের functions.php পেজ এর শেষে পেষ্ট করুন।

6. সবশেষে update file এ ক্লিক করুন।

7. এবার আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ খুলে দেখুন Favicon যুক্ত হয়ে গেছে।
ধন্যবাদ সবাইকে
ভাল থাকবেন।

একই কম্পিউটারে একসাথে অনেকগুলো Skype Account-এর ব্যবহার

অনেক দিন থেকেই কিছু নিয়ে লিখবো বলে ভাবছি কিন্তু সময় এর অভাবে হয় না। আজ আপনাদের এমন একটি কৌশল শেখাবো যার মাধ্যমে আপনি একসাথে অনেকগুলো Skype Account ব্যবহার করতে পারবেন। এর  আগেও অনেকে হয়তো এই নিয়ে লিখেছে কিন্তু আমারটার সাথে খুব একটা মিলবে বলে মনে হয় না।
এতো কথা বাদ দিয়ে মূল কথায় আসি।Skype এর অনেকগুলো Account একসাথে ব্যবহার করার জন্য প্রথমে Multi Skype Launcher নামক এই ছোট সফটওয়্যারটি নামিয়ে নিন।


 এটি install করে নিন। সফটওয়্যারটি Run করেন।

 এখন ADD Click করে আপনার ইচ্ছেমত যতগুলো খুশি Skype Name এবং Password দিয়ে Account যোগ করুন।


 Account Add করা শেষ হলে যেই যেই ID Run করতে চান সেটিতে Select করে Launch এ Click করুন।



এরপর থেকে আপনার যত খুশি Skype ID একসাথে ব্যবহার করুন। আপনি ইচ্ছে করলে Edit বাটনে Click করে Edit করে নিতে পারেন আবার Delete -এ Click করে কোন Account Delete করতে পারেন।
যদি Tune টি সামান্য কাজে লেগে থাকে Comment করতে ভুলবেন না।
ধন্যবাদ সবাইকে।





Android ডিভাইসের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কিভাবে তা রিকভার অথবা বাইপাস করবেন

বর্তমানে স্মার্টফোন ইউজ করার ফলে আমাদের পিসি টা অনেক কম ইউজ হয়। আর যেহেতু মোবাইল অথবা ট্যাব টি বেশি ইউজ হয় সেজন্য আমরা আমাদের ডাটা বা ফাইল সিকিউর রাখার জন্যে নানা প্রকার সিকিউরিটি ইউজ করে থাকে।

এর মধ্যে নরমাল এবং খুব কমন একটি সিকিউরিটি হল এন্ড্রয়েড ডিভাইস এর পাসওয়ার্ড। হতে পারে সেটা নরমাল পাসওয়ার্ড অথবা পিন কিংবা প্যাটার্ন

লক। তবে সমস্যা এখানেই মাঝে মাঝে অনেকে আমরা ভুল বশতই ভুলে যাই প্যাটার্ন লক অথবা পাসওয়ার্ডটি অথবা দেখা গেছে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড জেনে গেলো পরে সে ডিভাইস নিয়ে চেঞ্জ করে দিলো। এমন হয় ফ্রেন্ড সার্কেল এর মধ্যে। আর এই নিয়ে অনেকে অনেক সমসসায় ভুগেছেন এমনকি ডিভাইস ও ফ্যাক্টরি রিসেট দিয়েছেন। তবে আজ এই নিয়ে প্রায় কয়েকটি মেথড দেখাবো যেখানে আপনার পাসওয়ার্ড/পিন/প্যাটার্ন লক রিকভার অথবা বাইপাস করতে পারবেন এমনকি ফ্যাক্টরি রিসেট দিতে হবেনা। আমি মনে করি পোস্টটি সকলের একবার হলেও পড়া দরকার কারন কার কখন কাজে লাগে বলা যায় না। চলুন তাহলে দেখি মেথড গুলো…

এই পোস্ট এর মেথডগুলো ইউজ করার ফলে আপনার ডিভাইস এর কোন প্রকার ক্ষতির জন্যে আমি অথবা বিডি ড্রয়েড টিম দায়ী থাকবে না। আপনার ডিভাইস এর ডাটা,ব্রিক,রিসেট ইত্যাদি কোন প্রকার সমস্যার জন্যে একমাত আপনি দায়ী থাকবেন এবং সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্তে মেথডগুল ট্রাই করবেন। মনে রাখবেন এই মেথড গুলো কার ক্ষতি করার কাজে ব্যাবহার করবেন না এবং পোস্ট টি সম্পূর্ণ এডুকেশন পারপাস এর জন্যে।
 
মেথড ১- এই পদ্ধতিতে আপনি আপনার গুগল একাউন্ট দিতে Pattern Lock রিকভার করতে পারবেন। এজন্য আপনার ডিভাইস এ মাস্ট এবং মাস্ট ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে। এই পধতিতে রিকভার করার জন্যে ৫ বার ভুল প্যাটার্ন দিন তারপর একটি অপশন আসবে এরকম–  Forgot Pattern? আসলে এটার ভিতর যান এবং আপনার জিমেইল একাউন্ট এর আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন।

তারপর আপনাকে নতুন প্যাটার্ন দিতে বলবে এবং দিয়ে ফেলুন। এটি খুব সহজ মেথড এবং খুব দ্রুত আপনি প্যাটার্ন লক আনলক/রিকভার করতে পারবেন তবে ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে।

মেথড ২- আপনার ডিভাইস এ যদি ইন্টারনেট কানেকশন না থাকে তবে কি করবেন?? তখন করার কিছু নেই আপনার ডিভাইসটি ফ্যাক্টরি রিসেট দিতে হবে এই পদ্ধতিতে। তবে ডিভাইস এর ভিতর থেকে আমরা রিসেট করতে পারি অনেকেই কিন্তু রিকভারি মুড থেকে অনেকেই পারি না এমনকি জানি ও না কিভাবে করতে হয়। তবে বলে রাখি রিসেট করার পর আপনার ডিভাইস এর সকল অ্যাপ/ডাটা মুছে যাবে এবং ডিভাইস নতুন ভাবে রিসেট হয়ে আসবে যেমনটি মার্কেট থেকে কিনেছিলেন। সুতরাং করতে চাইলে নিচের পদ্ধতি দেখুন…

এজন্য প্রথমেই আপনার ডিভাইসটি বন্ধ করুন। কিভাবে বন্ধ অথবা সুইচ অফ করতে হয় তা নিশ্চয় বলে দিতে হবে না। এখন  Volume

up+power button অথবা Down+power button একসাথে প্রেস করে সেট অন করুণ।তবে ভিবিন্য কোম্পানির ডিভাইস এ এই পদ্ধতি ভিবিন্য রকম হয়ে থাকে তাই এটা কাজ না করলে নিচের যেকোনো একটা কাজ করবে…

১. Volume Down + Volume Up + Power button.
২. Volume Down + Power button.
৩. Volume Up + Power button.
৪. Volume Up + Home + Power button.
৫. Volume Up + Camera button.
৬. Home + Camera button.
৭. Home + Power button

উপরের যেকোনো একটা কম্বিনেশন কাজ করবেই মাস্ট আপনার ডিভাইস এ । তারপর আপনি রিকভারি মুড এ প্রবেশ করবেন এই পদ্ধতিতে। প্রবেশ করার পর Wipe Data / Factory Reset নামক একটা অপশন দেখতে পারবেন এবং অপশন টি সিলেক্ট করার জন্যে ডিভাইস এর ভলিউম বাটন ইউজ করুন উপর নিচে নামতে এবং পাওয়ার বাটন দিয়ে সিলেক্ট অথবা ওকে চাপতে পারবেন। এই অপশন টি সিলেক্ট করার পর আপনার কাছে কনফারমেশন পারমিশন চাওয়া হবে এবং ইয়েস দিয়ে দিন তাহলে আপনার ডিভাইস টি ফ্যাক্টরি রিসেট হবে এবং নতুন করে ডিভাইস চালু হবে এতে করে আপনার দেয়া পূর্বের সকল পাসওয়ার্ড মুছে যাবে এমনকি সব ডাটা ও ।

মেথড ৩- স্ক্রিন লক বাইপাস নামক একটি মেথড আছে যা Android 2.3.x অথবা তার নিম্ন ভার্সন এ কাজ করে এবং তার সাহায্যে পিসি থেকে মাত্র কয়েক ক্লিক এ আপনি প্যাটার্ন লক আউট করে দিতে পারবেন। যদিও এখন সবাই এর চেয়ে বেশি ভার্সন এর ডিভাইস ইউজ করেন তবুও কেউ যদি থেকে থাকেন তার জন্যে এই পদ্ধতি দিলাম। এতে করে আপনার ডিভাইস রুট করা থাকতে হবে না।  এজন্য যা করতে হবে…

  •  gingerbread_lock_bypass_droidiser.zip ফাইল টি আপনার পিসিতে ডাউনলোড করুন তারপর Winzip, Winrar, 7ZIP যেটাই থাকে তার সাহায্যে  Extract করুন ফাইলটি।
  • আপনার ডিভাইস এর জন্যে প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করে নিন পিসি তে। ড্রাইভার এর লিংক দিতে পারলাম না কারন একেকজন একেকরকম কোম্পানির ডিভাইস ইউজ করেন সুতরাং ড্রাইভার ও ভিন্য।
  • ড্রাইভার ইন্সটল করার পর অথবা করা থাকলে আপনার ডিভাইসটি পিসি তে কানেক্ট করুন।
  • একটু আগে যে ফাইলটি ডাউনলোড ও এক্সট্রাক্ট করেছেন তার ভিতর প্রবেশ করুন।
  • এবার  Double_Click_Me.bat ফাইলটি ডাবল ক্লিক করে রান করুন এবং  enter 1 to continue in the command window
  • সব ঠিকঠাক মতো থাকলে আপনার ডিভাইসটি আনলক করার ট্রাই করুন এবং প্যাটার্ন লক টি বাইপাস হয়ে যাবে।

মেথড ৪– এবার কথা হল আপনার ডিভাইস নতুন ভার্সন এর সুতরাং মেথড ৩ কাজ করবে না। সুতরাং আপনি কিভাবে কি করবেন ? তাই আপনার জন্যে মেথড ৪ দিচ্ছি। এই পদ্ধতিতে আপনার ডিভাইস এর যেকোনো পাসওয়ার্ড অথবা পিন/প্যাটার্ন লক আউট কিংবা বাইপাস করতে পারবেন তবে ডিভাইসটি মাস্ট রুট করা থাকতে হবে। ধরে নিলাম রুট করা আছে তাহলে নিচের স্টেপ অনুসরন করুন…

  •  Reset Password Tool by Droidiser.zip ফাইল টি আপনার পিসিতে ডাউনলোড করুন তারপর Winzip, Winrar, 7ZIP যেটাই থাকে তার সাহায্যে  Extract করুন ফাইলটি।
  • আপনার ডিভাইস এর জন্যে প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করে নিন পিসি তে। ড্রাইভার এর লিংক দিতে পারলাম না কারন একেকজন একেকরকম কোম্পানির ডিভাইস ইউজ করেন সুতরাং ড্রাইভার ও ভিন্য।
  • ড্রাইভার ইন্সটল করার পর অথবা করা থাকলে আপনার ডিভাইসটি পিসি তে কানেক্ট করুন।
  • একটু আগে যে ফাইলটি ডাউনলোড ও এক্সট্রাক্ট করেছেন তার ভিতর প্রবেশ করুন।
  • এবার Double_Click_Me.bat ফাইলটি ডাবল ক্লিক করে রান করুন এবং enter 1 to continue in the command window
  • সব ঠিকঠাক মতো থাকলে আপনার ডিভাইসটি আনলক করার ট্রাই করুন এবং ডিভাইস এ থাকা সকল প্রকার পাসওয়ার্ড পিন কিংবা প্যাটার্ন লক বাইপাস হয়ে যাবে।
মেথড ৫- ধরে নিলাম মেথড ৪ পর্যন্ত কোনটাই কাজ করলো না। তাহলে আপনার জন্যে মেথড ৫ এবং এটা ৫ নাম্বার এ দিলাম কারন একটু কঠিন এবং রিস্কি। তাহলে নিচের স্টেপ অনুসরন করুন…
  • প্রথমেই Aroma File Manager ডাউনলোড করে নিন পিসিতে। ডাউনলোড লিংক- https://www.dropbox.com/s/zzsnzj78jg581gc/aromafilemanager.80.zip
  • এবার পিসি থেকে ফাইলটি আপনার এসডি অথবা মেমরি কার্ড এর রুট ফোল্ডার এ কপি করুন অথবা রাখুন।
  • এবার রিকভারি মুড এ প্রবেশ করুন। কিভাবে করতে হবে তা মেথড ১ এ দেখিয়েছি।
  • ধরে নিলাম রিকভারি মুড এ প্রবেশ করেছেন। এবার Aroma File Manager ফ্ল্যাশ করুন। কিভাবে ফ্ল্যাশ করবেন? রিকভারি মুড এ দেখুন ফ্ল্যাশ  ফ্রম এসডি কার্ড নামক অপশন আছে তাতে প্রবেশ করুন তারপর আপনার এসডি কার্ড থেকে কপি করা ফাইলটি সিলেক্ট করেন দিন এবং কনফার্ম করুন।
  • এবার মিনু অপশন এ ক্লিক করে সেটিং এ প্রবেশ করুন এবং Mount All Partitions সিলেক্ট করুন।
  • এবার Aroma File Manager বের হয়ে যান এবং আবার ফ্ল্যাশ করুন এটি।
  • এবার ফ্ল্যাশ করার পর আপনার ডিভাইস এ থাকা সব পার্টিশন দেখতে পারবেন।
  • এবার  /data/system এ যান
  • এখন যদি প্যাটার্ন লক বাইপাস অথবা রিমুভ করতে চান তাহলে gesture.key ফাইলটি ডিলিট করুন (ডিলিট অপশন পেতে লং প্রেস করতে হবে)
  • যদি পাসওয়ার্ড রিমুভ করতে চান তাহলে password.key ফাইলটি ডিলিট করুন।
  • ডিলিট করা হয়ে  গেলে Aroma File Manager এক্সিট করে দিন এবং রিবুট করুন ডিভাইস।
  • ডিভাইস অন হবে এবং সকল প্রকার কল বাইপাস হয়ে যাবে যদি ঠিকমতো ডিলিট করে থাকেন।
এই হল কার্যকরী কিছু মেথড লক বাইপাস/আনলক/রিকভার করার জন্যে। এছারাও প্লে স্টোর এ কিছু অ্যাপ পাওয়া যায় স্ক্রিন কল বাইপাস নামক। সেগুল ইউজ করেও বাইপাস করতে পারবেন তবে ডিভাইস এ ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে অথবা পিসি থেকে ক্যাবল দিয়ে অ্যাপটি ইন্সটল করাতে হবে ডিভাইস এ এবং তারপর স্ক্রিন লক/প্যাটার্ন লক বাইপাস করতে পারবেন।

আমার জানা এবং পরিক্ষিত কিছু মেথড এর মধ্যে ৫ টি মেথড আজ তুলে ধরলাম আপনাদের সামনে। আরও কিছু মেথড আছে সেগুলা রিস্কি তাই দিলাম না। আশা করি এই মেথড গুলোই কাজ করবে আপনার জন্যে। তবে দুর্ভাগ্যবশত কাজ না করলে সেটার জন্যে আমি দায়ী নই কারন ডে বাই ডে সিস্টেম এবং সিকিউরিটি আপডেট হচ্ছে। তবে একটা কথা বলে রাখি কোনটাও যদি কাজ না করে তাহলে আপনাকে মেথড ২ দিয়েই করতে হবে যদিও ডিভাইস এর সকল ডাটা মুছে যাবে । আজ এইটুকুই… এর মধ্যে সাহাজ্য লাগলে গ্রুপ এ আমাকে পাবেন।
 সবাইকে ধন্যবাদ ভাল থাকবেন, প্রযুক্তির সাথেই থাকবেন ফেসবুকে আমি - See more at: http://desitechtunes.blogspot.com/2014/02/ram.html#sthash.ZMquUNz0.dpuf

সবাইকে ধন্যবাদ ভাল থাকবেন, প্রযুক্তির সাথেই থাকবেন ফেসবুকে আমি


কিভাবে আপনার এন্ড্রয়েড ডিভাইস এর RAM বাড়াবেন

স্মার্টফোন এর জগতে আপনার ডিভাইস এর RAM অনেক জরুরি একটা বিষয়। RAM আপনার ডিভাইস এর স্পীড এর ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা  পালন করে। RAM এর প্রয়োজনীয়তা আমরা প্রায় সবাই জানি তাই এই নিয়ে আর কিছু বলতে যাচ্ছি না তবে আমাদের এবং আমার কাছে অনেকেই জানতে চেয়েছেন কিভাবে RAM বাড়ানো যায়! অবাক হউয়ার কিছুই নেই, হ্যাঁ! আপনি RAM বারাতে পারবেন ভারচুয়ালি! আর সেটা কিভাবে করবেন আজ তার টিউটোরিয়াল নিয়েই এই পোস্ট।


RAM বারাতে হলে প্রথমেই যেটা করতে হবে তা হল আপনার ডিভাইস তা অবশ্যই রুট করা থাকতে হবে। এখন যদি প্রশ্ন করেন রুট কি তাহলে আপনার আপাতত RAM বাড়ানোর দরকার নেই এবং নিচের লিংক থেকে দেখে নিন রুট কি অবং তার সুবিধা।
তো ধরে নিলাম আপনার ডিভাইস এর রুট করা আছে। রুট করার পর অথবা SuperUser,SuperSu কিংবা Busy Box Pro টা ইন্সটল থাকতে হবে।

রুট করার পর নরমালি এই অ্যাপ এর একটা অটো ইন্সটল হয় আবার অনেকের ম্যানুয়ালি করতে হয়। যাই হোক ধরে নিলাম করা আছে আপনার।

এবার  RAM  বাড়ানোর জন্যে আমাদের একটি অ্যাপ লাগবে সেটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিন।
Download– Download Ram Expender

ইন্সটল করার পর Super User permission পারমিশন চাইবে। চাইলে Grant অথবা Accept করুন ।
ও হ্যাঁ! এই কাজ টি করতে আপনার অবশ্যই একটি ক্লাস ৮ কিংবা ক্লাস ১০ মেমোরি কার্ড লাগবে। যদি এর কম হয় ক্লাস তাহলে কাজ হবেনা।

এবার অ্যাপ এর সেটিং এ  গিয়ে SD Card Directory তে যাবেন এবং Swap ফাইল কোথায় সেইভ হবে তা সিলেক্ট করে দিবেন। যদি না করেন তাহলে অ্যাপ যেখানে ইন্সটল হয়েছে সেখানেই অটো মেইক করবে ফাইল।

এবার  Swap File এ ক্লিক করুন। ক্লিক করলে কত এমবি  RAM বাড়াতে চান তা লিখবেন। মনে রাখবেন  RAM যদি ৫১২ থাকে তাহলে তার দিগুন এর বেশি দিবেন না তাহলে প্রবলেম হবে।



এছারাও যদি মেমোরি ৪ জিবি হয় তাহলে  Swap File সাইজ ৫১২ দিবেন সর্বোচ্চ আর যদি ৮ জিবি হয় তাহলে ৮৪০-৮৫০ দিতে পারেন। মানে ৮৫০এমবি+আপনার আগের RAM = RAM বাড়ানোর পরের RAM। যদি আগে ৫১২ এমবি থাকে তাহলে
৫১২+৮৫০= ১৩৬২ এমবি হবে তবে ১জিবির বেশি না যাওয়া ভালো ৫১২ এমবি এর ক্ষেত্রে।
“Swappiness” এ ক্লিক করলে একটা বক্স আসবে সেখানে ৫০-৬০ লিখতে পারেন। এখানে ০ থেকে ১০০ পর্যন্তও দিতে পারবেন। জত কম দিবেন ততই আপনার মেমোরি কার্ড কম ইউজ হবে RAM হিসেবে। আর যদি বেশি দেন ভেলু তাহলে RAM হিসেবে মেমোরি কার্ড বেশি ইউজ হবে। তবে এখানে ৫০ দেয়া ভালো।

MinFreeKB লেখায় ক্লিক করে যে বক্স আসবে সেখানে 1-20 যা ইচ্ছা দিন, 20 এর বেশি দিলে সেট মাঝে মাঝে স্লো হয়ে যেতে পারে। এটি কখনও আসতে পারে, আবার নাও পারে ।
এবার অ্যাপ টিতে থাকা ”Swap active” ট্যাপ করুন তাহলে অ্যাপ টি Swap ফাইল ক্রিয়েট করা শুরু করবে। মেইক সিউর এই টাইমে আপনি আপনার মেমোরি কার্ড খুলছেন না কিংবা পিসিতে কানেক্ট করছেন না কারন এই সময় আপনার মেমোরি কার্ড টি ইউজ হবে । Swap ফাইল তৈরি হয়ে যাওয়ার পরই আপনার RAM  বারবে এবং ওই ফাইল টি RAM  হিসেবে ইউজ হবে।
কাজ শেষ হলে নিচের মতো স্ক্রিন আসবে।

উপরের ছবিতে টিক দিয়ে রাখা অপশন গুলো আপনিও টিক করে দিন। তাহলেই আপনার কাজ শেষ। এখান থেকে আপনার ডিভাইস এর টোটাল মেমোরি স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন।
———–

সতর্কতা…
মেইক সিউর আপনি যে মেমোরি দিয়ে কাজ টি করেছেন ওই মেমোরি টি আলয়েজ ইউজ করছেন ডিভাইস এ। মেমোরি পালটালে নতুন মেমোরিতে আবার করতে হবে নতুন করে।
পিসি তে মোবাইল কানেক্ট করার পর Swap active অপশন টি অফ হয়ে যেতে পারে তাই পিসি থেকে খুলার পর অ্যাপ টি তে ঢুকে Swap active করে নিন।

অন্য কোন ব্যাটারি বুস্টার কিংবা অন্য মোবাইল বুস্টার যাতে এই অ্যাপ কে ক্লোজ করে দিতে না পারে সে ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন।

অবশ্যই ক্লাস ১০ অথবা ক্লাস ৮ মেমোরি ইউজ করবেন। এর কম হলে ভালো কাজ করবেন না এবং মোবাইল স্লো হতে পারে।

আপনি Swap File এর সাইজ জত দিয়েছেন তা অনুযায়ী অ্যাপ টি আপনার মেমোরি কার্ড এ একটি ফাইল মেইক করবে। ভুলে আবার ডিলিট করে দিয়েন না তাহলে কোন কাজ হবেনা! আবার নতুন করে সব করতে হবে।

এইতো! হয়ে গেলো! এরপরেও কোন হেল্প লাগলে ফেসবুকে আমাদের গ্রুপ কিংবা পেইজ এ জানাবেন

 সবাইকে ধন্যবাদ ভাল থাকবেন, প্রযুক্তির সাথেই থাকবেন ফেসবুকে আমি